বার্জার পেইন্ট ডিজাইন

Contents

ইপোক্সি পেইন্ট বাংলাদেশ

বাংলাদেশে নির্মাণ খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে—আবাসিক ভবন, কারখানা, গুদাম, হাসপাতাল, শোরুম, শপিংমল—সবখানেই টেকসই ও আকর্ষণীয় ফিনিশিংয়ের চাহিদা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইপোক্সি পেইন্ট এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সমাধান। ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড টেকসই ফিনিশ, কেমিক্যাল রেজিস্ট্যান্স, সহজ পরিষ্কারযোগ্যতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব—সব মিলিয়ে ইপোক্সি পেইন্ট বাংলাদেশে দ্রুত জায়গা করে নিয়েছে।

এই বিস্তৃত গাইডে আমরা আলোচনা করবো—ইপোক্সি পেইন্ট কী, কীভাবে কাজ করে, বাংলাদেশে এর ব্যবহার, দাম, ব্র্যান্ড, সুবিধা-অসুবিধা, প্রয়োগ পদ্ধতি, রক্ষণাবেক্ষণ, এবং কেন এটি আপনার প্রকল্পের জন্য সেরা সমাধান হতে পারে।

ইপোক্সি পেইন্ট কী?

ইপোক্সি পেইন্ট হলো একটি দুই-উপাদান (Two Component) কোটিং সিস্টেম, যা মূলত:

  1. Epoxy Resin

  2. Hardener

এই দুই উপাদান মিশ্রিত হলে একটি কেমিক্যাল রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে শক্ত, ঘন, টেকসই কোটিং তৈরি হয়। এটি সাধারণ পেইন্টের মতো শুধু রঙ নয়—বরং একটি প্রোটেক্টিভ লেয়ার

বার্জার পেইন্ট ডিজাইন – বাংলাদেশের রঙ শিল্পের বিশ্বস্ত নাম

বাংলাদেশের রঙ শিল্পে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নাম সর্বপ্রথম উচ্চারিত হয়, তার মধ্যে Berger Paints Bangladesh Limited অন্যতম। দীর্ঘ ইতিহাস, উন্নত প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের পণ্য এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।

প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও অগ্রযাত্রা

Berger-এর বৈশ্বিক যাত্রা শুরু হয় ইউরোপে, আর বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে। ধীরে ধীরে তারা দেশের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করে এবং বর্তমানে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে বহুল ব্যবহৃত একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। উন্নত গবেষণা ও মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সব সময় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখে।

বাংলাদেশে ইপোক্সি পেইন্টের জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে?

বাংলাদেশে আবহাওয়া আর্দ্র (Humidity বেশি), তাপমাত্রা ওঠানামা করে, এবং অনেক জায়গায় শিল্প কারখানায় কেমিক্যাল ব্যবহার হয়। তাই সাধারণ পেইন্ট দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইপোক্সি পেইন্ট:

  • আর্দ্রতা প্রতিরোধী

  • কেমিক্যাল রেজিস্ট্যান্ট

  • ঘর্ষণ সহনশীল

  • দীর্ঘস্থায়ী

  • ওয়াটারপ্রুফ

এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়েছে।

বার্জার প্লাস্টিক পেইন্ট ক্যাটালগ বাংলাদেশে কোথায় ইপোক্সি পেইন্ট ব্যবহার হয়?

১. ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফ্লোরিং

কারখানা, গার্মেন্টস, ফুড প্রসেসিং ইউনিট, ফার্মাসিউটিক্যাল প্ল্যান্ট।

২. হাসপাতাল ও ল্যাবরেটরি

ধুলোবালি কম ধরে, সহজে পরিষ্কার করা যায়।

৩. গ্যারেজ ও পার্কিং এরিয়া

তেল ও কেমিক্যাল প্রতিরোধী।

৪. ওয়্যারহাউস

ভারী লোড সহ্য করতে পারে।

৫. আবাসিক ভবন

ড্রাইভওয়ে, ছাদ, সিঁড়ি, বেসমেন্ট।

ইপোক্সি পেইন্ট বনাম সাধারণ পেইন্ট

বিষয় ইপোক্সি পেইন্ট সাধারণ পেইন্ট
স্থায়িত্ব ৫–১৫ বছর ২–৪ বছর
কেমিক্যাল রেজিস্ট্যান্স খুব ভালো কম
ঘর্ষণ সহনশীলতা উচ্চ মাঝারি
ওয়াটারপ্রুফ হ্যাঁ সীমিত
খরচ তুলনামূলক বেশি কম

বাংলাদেশে জনপ্রিয় ইপোক্সি পেইন্ট ব্র্যান্ড

বাংলাদেশে বেশ কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ইপোক্সি পেইন্ট সরবরাহ করে।

১. Berger Paints Bangladesh

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট কোম্পানি। তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইপোক্সি কোটিং খুব জনপ্রিয়।

২. Asian Paints Bangladesh

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কমার্শিয়াল সেগমেন্টে শক্ত অবস্থান রয়েছে।

৩. Roxy Paints

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পেইন্ট সেক্টরে পরিচিত নাম।

৪. Elite Paint

সাশ্রয়ী দামে ইপোক্সি সমাধান প্রদান করে।

বাংলাদেশে ইপোক্সি পেইন্টের দাম (২০২৬)

দাম নির্ভর করে:

  • ব্র্যান্ড

  • থিকনেস

  • সারফেস কন্ডিশন

  • প্রাইমার প্রয়োজন

  • শ্রম খরচ

আনুমানিক মূল্য (প্রতি বর্গফুট):

  • Thin Coat: ৮০ – ১২০ টাকা

  • Medium Coat: ১২০ – ১৮০ টাকা

  • Heavy Duty: ১৮০ – ৩০০+ টাকা

(লোকেশন ও প্রকল্পের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন হতে পারে)

ইপোক্সি পেইন্টের ধরন

১. Self Leveling Epoxy

স্মুথ ও গ্লসি ফিনিশ।

২. Anti-Slip Epoxy

কারখানা বা ভেজা এলাকায়।

৩. Epoxy Primer

বেস লেয়ার হিসেবে।

৪. Epoxy Top Coat

ফাইনাল ফিনিশ।

ইপোক্সি পেইন্ট প্রয়োগের ধাপ

ধাপ ১: সারফেস প্রস্তুতি

  • গ্রাইন্ডিং

  • ডাস্ট ক্লিনিং

  • ময়েশ্চার টেস্ট

ধাপ ২: প্রাইমার প্রয়োগ

বন্ডিং শক্তিশালী করে।

ধাপ ৩: মিক্সিং

রেজিন ও হার্ডনার নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রণ।

ধাপ ৪: কোটিং

রোলার বা ট্রাওয়েল দিয়ে প্রয়োগ।

ধাপ ৫: কিউরিং

২৪–৭২ ঘণ্টা সময় লাগে।

ইপোক্সি পেইন্টের সুবিধা

  • দীর্ঘস্থায়ী

  • কম রক্ষণাবেক্ষণ

  • ডাস্ট-ফ্রি

  • আকর্ষণীয় ফিনিশ

  • দ্রুত পরিষ্কারযোগ্য

  • কেমিক্যাল প্রতিরোধী

অসুবিধা

  • প্রাথমিক খরচ বেশি

  • ইনস্টলেশন স্কিল প্রয়োজন

  • সঠিক সারফেস প্রস্তুতি না হলে সমস্যা

বাংলাদেশে আবহাওয়ার সাথে মানানসই কি?

হ্যাঁ। তবে:

  • উচ্চ আর্দ্রতায় সঠিক কিউরিং নিশ্চিত করতে হবে

  • বর্ষাকালে প্রয়োগ এড়িয়ে চলা ভালো

ইপোক্সি পেইন্ট রক্ষণাবেক্ষণ

ইপোক্সি পেইন্ট বনাম টাইলস

অনেকেই প্রশ্ন করেন—টাইলস নাকি ইপোক্সি?

বিষয় ইপোক্সি টাইলস
জয়েন্ট নেই আছে
ওয়াটারপ্রুফ সম্পূর্ণ সীমিত
রক্ষণাবেক্ষণ সহজ মাঝারি
লোড ক্যাপাসিটি বেশি মাঝারি

ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে ইপোক্সি বেশি উপযোগী।

কোন সেক্টরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত?

  • গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি

  • ফুড প্রসেসিং

  • ফার্মাসিউটিক্যাল

  • হাসপাতাল

  • গুদাম

ইপোক্সি পেইন্টের আয়ুষ্কাল

সঠিক প্রয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণে ৮–১৫ বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

ইপোক্সি পেইন্ট কি ঘরে ব্যবহার করা যায়?

হ্যাঁ। বিশেষ করে:

  • গ্যারেজ

  • বেসমেন্ট

  • ছাদ

  • সিঁড়ি

কেন প্রফেশনাল টিম প্রয়োজন?

ইপোক্সি একটি টেকনিক্যাল সিস্টেম। ভুল মিক্সিং বা ভুল সারফেস প্রস্তুতি করলে:

  • বুদবুদ উঠতে পারে

  • কোটিং উঠতে পারে

  • রঙ অসম হতে পারে

বাংলাদেশে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

বাংলাদেশে দ্রুত শিল্পায়নের ফলে ইপোক্সি পেইন্টের বাজার আগামী ৫–১০ বছরে আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে:

  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক

  • ইকোনমিক জোন

  • হাসপাতাল

  • আধুনিক ওয়্যারহাউস

ইপোক্সি পেইন্ট বাংলাদেশ – গুরুত্বপূর্ণ FAQ (Frequently Asked Questions)

নিচে ইপোক্সি পেইন্ট নিয়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলোর বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হলো। এগুলো আপনি ওয়েবসাইট, ব্লগ বা GMB পোস্টে ব্যবহার করতে পারবেন।

১. ইপোক্সি পেইন্ট কী?

ইপোক্সি পেইন্ট হলো দুই উপাদানবিশিষ্ট (Resin + Hardener) একটি কোটিং সিস্টেম, যা মিশ্রণের পর কেমিক্যাল রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে অত্যন্ত শক্ত, টেকসই এবং কেমিক্যাল-রেজিস্ট্যান্ট স্তর তৈরি করে।

২. ইপোক্সি পেইন্ট কি শুধুমাত্র ফ্লোরের জন্য?

না। এটি ব্যবহার করা যায়:

  • কংক্রিট ফ্লোর

  • ওয়াল

  • স্টিল স্ট্রাকচার

  • পার্কিং এরিয়া

  • গ্যারেজ

  • ওয়্যারহাউস

  • ফ্যাক্টরি

ফ্লোরিং (সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহার)

  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফ্যাক্টরি

  • গ্যারেজ

  • হাসপাতাল

  • ওয়্যারহাউজ

  • শোরুম

👉 বাংলাদেশে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফ্লোরিংয়ে যেমন Berger Paints Bangladesh এর ইপোক্সি সিস্টেম ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

দেয়াল (Wall Coating)

বিশেষ করে:

  • ফুড প্রসেসিং এরিয়া

  • ফার্মাসিউটিক্যাল প্ল্যান্ট

  • ল্যাবরেটরি

এখানে ধুলাবালি কম ধরে এবং সহজে পরিষ্কার করা যায়।

মেটাল সারফেস

  • স্টিল স্ট্রাকচার

  • মেশিনারি

  • পানির ট্যাংক

ইপোক্সি পেইন্ট মরিচা প্রতিরোধে খুব কার্যকর।

কংক্রিট সারফেস

  • র‍্যাম্প

  • পার্কিং এরিয়া

  • বেজমেন্ট

এটি কংক্রিটকে ডাস্ট-ফ্রি ও শক্তিশালী করে।

কাঠ ও আসবাবপত্র (সীমিত ক্ষেত্রে)

কিছু ডেকোরেটিভ কাজেও ব্যবহার হয়, তবে এটি মূলত হেভি-ডিউটি সারফেসের জন্য বেশি উপযোগী।

তাহলে শুধু ফ্লোরে কেন বেশি ব্যবহার হয়?

কারণ:

  • ভারী লোড সহ্য করতে পারে

  • স্ক্র্যাচ রেজিস্ট্যান্ট

  • কেমিক্যাল রেজিস্ট্যান্ট

  • দীর্ঘস্থায়ী (৫–১০ বছর বা তার বেশি)

৩. বাংলাদেশে ইপোক্সি পেইন্টের দাম কত?

দাম নির্ভর করে থিকনেস, সারফেস কন্ডিশন ও ব্র্যান্ডের উপর।

আনুমানিক মূল্য (প্রতি বর্গফুট):

  • ৮০ – ১২০ টাকা (থিন কোট)

  • ১২০ – ১৮০ টাকা (মিডিয়াম কোট)

  • ১৮০ – ৩০০+ টাকা (হেভি ডিউটি)

লোকেশন ও প্রকল্প অনুযায়ী দাম পরিবর্তিত হতে পারে।

৪. ইপোক্সি পেইন্ট কতদিন টেকে?

সঠিক প্রয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণে ৮–১৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। হেভি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ৫–৮ বছর পরে রিকোট প্রয়োজন হতে পারে।

৫. ইপোক্সি পেইন্ট কি ওয়াটারপ্রুফ?

হ্যাঁ, এটি সম্পূর্ণ ওয়াটার-রেজিস্ট্যান্ট। তবে সাব-বেসে অতিরিক্ত ময়েশ্চার থাকলে আগে ময়েশ্চার টেস্ট করতে হবে।

৬. ইপোক্সি পেইন্ট কি বাংলাদেশে আর্দ্র আবহাওয়ায় টেকসই?

হ্যাঁ, তবে প্রয়োগের সময় হিউমিডিটি ও সাবস্ট্রেট ময়েশ্চার নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ষাকালে প্রয়োগে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন।

৭. ইপোক্সি পেইন্ট কি টাইলসের চেয়ে ভালো?

ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্ষেত্রে সাধারণত হ্যাঁ।

ইপোক্সি:

  • জয়েন্টলেস

  • ডাস্ট-ফ্রি

  • ভারী লোড সহ্যক্ষম

  • সহজ পরিষ্কারযোগ্য

টাইলস:

  • জয়েন্ট থাকে

  • ভারী ইমপ্যাক্টে ভাঙতে পারে

৮. ইপোক্সি পেইন্ট কি বাড়ির গ্যারেজে ব্যবহার করা যায়?

হ্যাঁ, গ্যারেজের জন্য এটি অত্যন্ত উপযোগী। তেল ও কেমিক্যাল প্রতিরোধী হওয়ায় গ্যারেজে জনপ্রিয়।

৯. ইপোক্সি পেইন্ট লাগাতে কত সময় লাগে?

সাধারণত:

  • ১ দিন: সারফেস প্রস্তুতি

  • ১ দিন: প্রাইমার ও কোট

  • ২৪–৭২ ঘণ্টা: কিউরিং

মোট ২–৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয় (এরিয়া অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে)।

১০. ইপোক্সি পেইন্ট কি স্লিপারি?

গ্লসি ফিনিশ স্লিপারি হতে পারে। তবে Anti-Slip Epoxy ব্যবহার করলে সমস্যা হয় না।

১১. কোন ব্র্যান্ডের ইপোক্সি পেইন্ট ভালো?

বাংলাদেশে কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড:

  • Berger Paints Bangladesh

  • Asian Paints Bangladesh

  • Roxy Paints

প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী ব্র্যান্ড নির্বাচন করা উচিত।

১২. ইপোক্সি পেইন্ট কি নিজে নিজে করা যায় (DIY)?

ছোট এরিয়ায় সম্ভব, তবে বড় প্রজেক্টে প্রফেশনাল টিম ছাড়া করা উচিত নয়। ভুল মিক্সিং বা ভুল সারফেস প্রস্তুতিতে কোটিং উঠতে পারে।

১৩. ইপোক্সি পেইন্টে কি ফাটল ঢেকে যায়?

ছোট Hairline Crack ঢাকতে পারে, তবে বড় ফাটল আগে রিপেয়ার করতে হবে।

১৪. ইপোক্সি পেইন্ট কি তাপ সহনশীল?

সাধারণ ইপোক্সি মাঝারি তাপমাত্রা সহ্য করে। উচ্চ তাপমাত্রার জন্য বিশেষ Heat Resistant Epoxy প্রয়োজন।

১৫. ইপোক্সি পেইন্টের রঙ কি ফেড হয়ে যায়?

ইন্ডোরে খুব কম ফেড হয়। সরাসরি রোদে UV প্রটেকশন ছাড়া সময়ের সাথে ফেড হতে পারে।

১৬. ইপোক্সি পেইন্ট কি কেমিক্যাল প্রতিরোধী?

হ্যাঁ। বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যাল, ফুড প্রসেসিং ও ল্যাবরেটরিতে ব্যবহারের জন্য উপযোগী।

১৭. ইপোক্সি পেইন্টে বুদবুদ কেন ওঠে?

সম্ভাব্য কারণ:

  • সাবস্ট্রেটে ময়েশ্চার

  • ভুল মিক্সিং

  • দ্রুত কিউরিং

  • অপর্যাপ্ত সারফেস প্রস্তুতি

১৮. ইপোক্সি পেইন্টের আগে কি প্রাইমার দরকার?

হ্যাঁ, ভালো বন্ডিংয়ের জন্য প্রাইমার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১৯. বাংলাদেশে ইপোক্সি পেইন্ট কি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ব্যবহার হয়?

হ্যাঁ, গার্মেন্টস, ওয়্যারহাউস ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিটে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উপসংহার

ইপোক্সি পেইন্ট বাংলাদেশে একটি আধুনিক, টেকসই ও প্রফেশনাল কোটিং সিস্টেম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যদিও প্রাথমিক খরচ তুলনামূলক বেশি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

যদি আপনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল, কমার্শিয়াল বা আবাসিক প্রকল্পে টেকসই ও প্রিমিয়াম ফিনিশ চান—তাহলে ইপোক্সি পেইন্ট নিঃসন্দেহে একটি সেরা সমাধান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *